বিপুল সংখ্যক সিগারেট কার্টন ও নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম জব্দ
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাইয়ের শারজাহ থেকে আসা তিন যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট ও আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে এনএসআই, বিমানবন্দর কাস্টমস ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্সের যৌথ অভিযানে এই বড় চালানটি ধরা পড়ে। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শারজাহ থেকে ছেড়ে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার G9-520 ফ্লাইটের তিন যাত্রীর গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় গোয়েন্দা ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের। এরপর আন্তর্জাতিক এরাইভাল হলে তাদের গতিরোধ করে ব্যাগেজ স্ক্যানিং ও তল্লাশি করা হয়। লাগেজ খুলতেই বেরিয়ে আসে থরে থরে সাজানো মোট ১ হাজার ১২৮ কার্টন মন্ড (Mond) ব্র্যান্ডের সিগারেট এবং ২০০ পিস আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম। জব্দকৃত পণ্যের বিপরীতে সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ হিসাব করা হয়েছে প্রায় ২২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। জব্দকৃত পণ্য বহনে জড়িত তিন যাত্রী হলেন: সেলিম উল্লাহ, বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়ায় (পাসপোর্ট নং- A19401524)। মো. রায়হান উদ্দিন। তিনি নোয়াখালীর হাতিয়ার বাসিন্দা (পাসপোর্ট নং- B00772444)। অন্যজন হলেন চট্টগ্রামের পটিয়ার মো. মনসুরুল আলম (পাসপোর্ট নং- A14100225)। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত পণ্যগুলো ডিএম (DM) মূলে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। আটক যাত্রীদেরকে কাস্টমস আইন অনুযায়ী মৌখিক সতর্কবার্তা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং অবৈধ পণ্যের অনুপ্রবেশ বন্ধে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, গোয়েন্দা সংস্থা ও কাস্টমস বিভাগের এই সমন্বিত কঠোর নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
84
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাইয়ের শারজাহ থেকে আসা তিন যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট ও আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে এনএসআই, বিমানবন্দর কাস্টমস ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্সের যৌথ অভিযানে এই বড় চালানটি ধরা পড়ে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শারজাহ থেকে ছেড়ে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার G9-520 ফ্লাইটের তিন যাত্রীর গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় গোয়েন্দা ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের। এরপর আন্তর্জাতিক এরাইভাল হলে তাদের গতিরোধ করে ব্যাগেজ স্ক্যানিং ও তল্লাশি করা হয়। লাগেজ খুলতেই বেরিয়ে আসে থরে থরে সাজানো মোট ১ হাজার ১২৮ কার্টন মন্ড (Mond) ব্র্যান্ডের সিগারেট এবং ২০০ পিস আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম। জব্দকৃত পণ্যের বিপরীতে সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ হিসাব করা হয়েছে প্রায় ২২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত পণ্যগুলো ডিএম (DM) মূলে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। আটক যাত্রীদেরকে কাস্টমস আইন অনুযায়ী মৌখিক সতর্কবার্তা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং অবৈধ পণ্যের অনুপ্রবেশ বন্ধে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, গোয়েন্দা সংস্থা ও কাস্টমস বিভাগের এই সমন্বিত কঠোর নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।