ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতি ফখরুল ইসলামের

  • প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশিত সময় ০৬:৩৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ সময় দেখুন
14

অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, বৃহৎ শিল্পোদ্যোক্তাদের পাশাপাশি দেশের ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাদের সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক শিল্পভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

Advertisement

দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব শ্রমজীবী মানুষ, উদ্যোক্তা, পেশাজীবী, প্রযুক্তিবিদ, গবেষক এবং উৎপাদন ও সেবা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এনপিও) উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।’

তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা একটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় ও অপচয় হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনের জন্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। কিন্তু বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির প্রভাবে প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে তিনি মনে করি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বৃহৎ শিল্পোদ্যোক্তাদের পাশাপাশি দেশের ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও এখন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাদের প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নীতিগত সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে সার্বিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও দেশের সামগ্রিক শিল্পভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। এক্ষেত্রে সরকার, শিল্পোদ্যোক্তা, শ্রমিক, গবেষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন দেশের শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, গবেষণা, পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখবে। টেকসই উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষ মানবসম্পদের যথাযথ ও সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে একটি অধিক উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই শিল্প অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতি ফখরুল ইসলামের

প্রকাশিত সময় ০৬:৩৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
14

অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, বৃহৎ শিল্পোদ্যোক্তাদের পাশাপাশি দেশের ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাদের সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক শিল্পভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

Advertisement

দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব শ্রমজীবী মানুষ, উদ্যোক্তা, পেশাজীবী, প্রযুক্তিবিদ, গবেষক এবং উৎপাদন ও সেবা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এনপিও) উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।’

তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা একটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় ও অপচয় হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনের জন্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। কিন্তু বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির প্রভাবে প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে তিনি মনে করি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বৃহৎ শিল্পোদ্যোক্তাদের পাশাপাশি দেশের ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও এখন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাদের প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নীতিগত সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে সার্বিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও দেশের সামগ্রিক শিল্পভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। এক্ষেত্রে সরকার, শিল্পোদ্যোক্তা, শ্রমিক, গবেষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন দেশের শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, গবেষণা, পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখবে। টেকসই উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষ মানবসম্পদের যথাযথ ও সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে একটি অধিক উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই শিল্প অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।