ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এ অর্থবছরে কত কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক?

120

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি রয়েছে।

এ অবস্থায় ডলারের দাম যাতে অস্বাভাবিকভাবে কমে না যায় এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে, সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনছে। ডলারের দর অতিরিক্ত কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ডলার ক্রয়ের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হচ্ছে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে দেশে রেমিট্যান্স আসে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। এছাড়া ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার এবং এপ্রিল মাসে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় উত্থান ঘটেছে। গত ১৯ মে দিনের শেষে দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলারে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলারে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ডলার ক্রয়ের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। ১৯ মে দিনের শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলারে। আর আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী তা রয়েছে ২৯.৬৬ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল ২০২১ সালের আগস্টে। সেখান থেকে ধারাবাহিকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় রিজার্ভ নেমে আসে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে।

এদিকে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে পণ্য রপ্তানি আয় ৪০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২.৯২ শতাংশ বেশি। গত বছর এপ্রিল মাসে রপ্তানি আয় ছিল ৩০১ কোটি ডলার।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

এ অর্থবছরে কত কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক?

প্রকাশিত সময় ১২:৫৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
120

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি রয়েছে।

এ অবস্থায় ডলারের দাম যাতে অস্বাভাবিকভাবে কমে না যায় এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে, সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনছে। ডলারের দর অতিরিক্ত কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ডলার ক্রয়ের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হচ্ছে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে দেশে রেমিট্যান্স আসে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। এছাড়া ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার এবং এপ্রিল মাসে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় উত্থান ঘটেছে। গত ১৯ মে দিনের শেষে দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলারে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলারে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ডলার ক্রয়ের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। ১৯ মে দিনের শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলারে। আর আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী তা রয়েছে ২৯.৬৬ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল ২০২১ সালের আগস্টে। সেখান থেকে ধারাবাহিকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় রিজার্ভ নেমে আসে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে।

এদিকে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে পণ্য রপ্তানি আয় ৪০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২.৯২ শতাংশ বেশি। গত বছর এপ্রিল মাসে রপ্তানি আয় ছিল ৩০১ কোটি ডলার।