প্রকাশিত সময়
০২:৩৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
১০৬
সময় দেখুন
পানিতে ডুবে যেভাবে প্রাণ গেলো চার শিশুর
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে উপজেলার কুমিরা ও বাঁশবাড়িয়া এলাকায় চারটি কোমল প্রাণ ঝরে পড়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে বাঁশবাড়িয়া এলাকায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে মারা যায় সাইফুল ইসলাম ইসবাত (৫)। পরিবারের অগোচরে খেলতে গিয়ে পানিতে পড়ে গেলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এর একদিন আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) কুমিরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একইভাবে প্রাণ হারায় তিন বছর বয়সী আরিজা বিনতে সোহেল। বাড়ির উঠানে খেলতে খেলতে কখন যে সে পুকুরে পড়ে যায়, তা কেউ বুঝতে পারে নি। পরে অনেক খোঁজাখুজির পর মরদেহ পানিতে ভেসে ওঠে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে একই ইউনিয়নের রহমতপুর এলাকায় ঘটে আরও এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় চার বছর বয়সী শিশু আবদুল্লাহ ও ৯ বছরের সীমা আক্তার। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর পুকুর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিকাংশ বাড়ির আশপাশে থাকা পুকুর ও জলাশয়ে কোন প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় অসতর্কতার কারণে ঘটছে এমন অপূরণীয় ক্ষতির মতো ঘটনা। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলতাফ হোসেন বলেন, “অভিভাবকদের সামান্য অসতর্কতাই বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। শিশুদের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা এবং জলাশয়ের চারপাশে সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।” তিনি আরও জানান, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের সাঁতার শেখানো এবং নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা গেলে এ ধরনের মর্মান্তিক মৃত্যু অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
129
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে উপজেলার কুমিরা ও বাঁশবাড়িয়া এলাকায় চারটি কোমল প্রাণ ঝরে পড়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে বাঁশবাড়িয়া এলাকায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে মারা যায় সাইফুল ইসলাম ইসবাত (৫)। পরিবারের অগোচরে খেলতে গিয়ে পানিতে পড়ে গেলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
এর একদিন আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) কুমিরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একইভাবে প্রাণ হারায় তিন বছর বয়সী আরিজা বিনতে সোহেল। বাড়ির উঠানে খেলতে খেলতে কখন যে সে পুকুরে পড়ে যায়, তা কেউ বুঝতে পারে নি। পরে অনেক খোঁজাখুজির পর মরদেহ পানিতে ভেসে ওঠে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে একই ইউনিয়নের রহমতপুর এলাকায় ঘটে আরও এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় চার বছর বয়সী শিশু আবদুল্লাহ ও ৯ বছরের সীমা আক্তার। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর পুকুর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিকাংশ বাড়ির আশপাশে থাকা পুকুর ও জলাশয়ে কোন প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় অসতর্কতার কারণে ঘটছে এমন অপূরণীয় ক্ষতির মতো ঘটনা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলতাফ হোসেন বলেন, “অভিভাবকদের সামান্য অসতর্কতাই বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। শিশুদের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা এবং জলাশয়ের চারপাশে সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।”
তিনি আরও জানান, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের সাঁতার শেখানো এবং নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা গেলে এ ধরনের মর্মান্তিক মৃত্যু অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।