প্রকাশিত সময়
০৭:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
৫৬
সময় দেখুন
নানা আয়োজনে শুরু হলো কান চলচ্চিত্র উৎসব
বিশ্ব চলচ্চিত্রে সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন হিসেবে পরিচিত কান চলচ্চিত্র উৎসব। আজ থেকে শুরু হচ্ছে উৎসবের ৭৯তম আসর। ফ্রান্সের মনোরম শহর কানস-এ বসছে বিশ্ব সিনেমার এই মহাযজ্ঞ, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী, প্রযোজক ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা একত্রিত হবেন সিনেমার উদযাপনে। এবারের উৎসবের উদ্বোধন হয়েছে ফরাসি পরিচালক পিয়ের সালভাদোরির দ্য ইলেকট্রিক কিস চলচ্চিত্র দিয়ে। একই সঙ্গে আজীবন সম্মাননা হিসেবে ‘অনারারি পাম দ’ অর’ পাচ্ছেন বিশ্বখ্যাত নির্মাতা পিটার জ্যাকসন এবং কিংবদন্তি শিল্পী বারবারা স্ট্রাইস্যান্ড। এবারের প্রতিযোগিতায় রয়েছে ২২টি চলচ্চিত্র, যেখানে এশিয়া ও ইউরোপের নির্মাতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার আভাস মিলছে। দক্ষিণ কোরিয়ার না হোং জিনের হোপ এবং ইরানের আসগর ফারহাদির প্যারালাল টেলস ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এছাড়া আলোচনায় রয়েছে জেমস গ্রের পেপার টাইগার, পেদ্রো আলমোদোভারের আমার্গা নাভিদাদ, হিরোকাজু কোরে-এদার শিপ ইন দ্য বক্স এবং রয়সুকে হামাগুচির অল অব আ সাডেন। এবারের আসর ঘিরেও ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস। আগামী কয়েকদিন ধরে এই আয়োজন হয়ে উঠবে বিশ্ব চলচ্চিত্রের প্রাণকেন্দ্র। গত কয়েক বছরে কানে বড় হলিউডি সিনেমার প্রিমিয়ার ছিল অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এবার বড় কোনো মার্কিন স্টুডিও তাদের ব্লকবাস্টার নিয়ে হাজির হচ্ছে না। বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক প্রচারণায় ঝুঁকে পড়া, খরচ কমানো এবং কানের কঠোর সমালোচকদের ভয়—এই তিন কারণেই হলিউড এবার অনেকটা দূরে থাকছে।
67
বিশ্ব চলচ্চিত্রে সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন হিসেবে পরিচিত কান চলচ্চিত্র উৎসব। আজ থেকে শুরু হচ্ছে উৎসবের ৭৯তম আসর। ফ্রান্সের মনোরম শহর কানস-এ বসছে বিশ্ব সিনেমার এই মহাযজ্ঞ, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী, প্রযোজক ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা একত্রিত হবেন সিনেমার উদযাপনে।
এবারের উৎসবের উদ্বোধন হয়েছে ফরাসি পরিচালক পিয়ের সালভাদোরির দ্য ইলেকট্রিক কিস চলচ্চিত্র দিয়ে। একই সঙ্গে আজীবন সম্মাননা হিসেবে ‘অনারারি পাম দ’ অর’ পাচ্ছেন বিশ্বখ্যাত নির্মাতা পিটার জ্যাকসন এবং কিংবদন্তি শিল্পী বারবারা স্ট্রাইস্যান্ড।
এবারের প্রতিযোগিতায় রয়েছে ২২টি চলচ্চিত্র, যেখানে এশিয়া ও ইউরোপের নির্মাতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার আভাস মিলছে। দক্ষিণ কোরিয়ার না হোং জিনের হোপ এবং ইরানের আসগর ফারহাদির প্যারালাল টেলস ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
এছাড়া আলোচনায় রয়েছে জেমস গ্রের পেপার টাইগার, পেদ্রো আলমোদোভারের আমার্গা নাভিদাদ, হিরোকাজু কোরে-এদার শিপ ইন দ্য বক্স এবং রয়সুকে হামাগুচির অল অব আ সাডেন।
এবারের আসর ঘিরেও ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস। আগামী কয়েকদিন ধরে এই আয়োজন হয়ে উঠবে বিশ্ব চলচ্চিত্রের প্রাণকেন্দ্র।
গত কয়েক বছরে কানে বড় হলিউডি সিনেমার প্রিমিয়ার ছিল অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এবার বড় কোনো মার্কিন স্টুডিও তাদের ব্লকবাস্টার নিয়ে হাজির হচ্ছে না। বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক প্রচারণায় ঝুঁকে পড়া, খরচ কমানো এবং কানের কঠোর সমালোচকদের ভয়—এই তিন কারণেই হলিউড এবার অনেকটা দূরে থাকছে।